Wednesday, 26 September 2018

যদি দেখা হয়


চলতি পথে যদি দেখা হয়
আনমনে হয়ে যায় দৃষ্টি বিনিময়
তুমি কি এড়িয়ে এগুবে গন্তব্যপানে
নাকি শুধাবে এসে" কেমন আছি
তোমায় ছেড়ে কেমনে বাঁচি ?


কবিতা


তোমায় নিয়ে এমন একটি কবিতা লিখতে চাই
যে কবিতাটি লিখার পরে আমি সেচ্ছায় মরে যেতে দ্বিধা করবো না।
অথবা যে কবিতাটি আমাকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখবে মৃত্যুর পরেও।
বেঁচে থাকবে তার-প্রতিটি অক্ষর,
প্রতিটি শব্দ, ছন্দ ও তাল,
বেঁচে থাকবে কবিতাটি,
বেঁচে থাকবে তুমিও অনন্তকাল!
.
সে কবিতাটির একটি নিরবিচ্ছিন্ন প্রাণ হবে,
পায়রার কণ্ঠে ঝলমলে উজ্জ্বল চঞ্চল মানুষ-
মানুষীর মতো প্রাণ,
ভালোবাসায় সিক্ত দুটি কপোত-কপতির স্বচ্ছ-
শিশিরের মতো প্রাণ,
মিলেমিশে একাকার একটি ভালোবাসার
কবিতার মতো গান!
সে প্রাণটাকে আমি পদ্ম দীঘির জলের তলে-
একটা ভ্রমরার প্রাণের ভেতর লুকিয়ে রেখেছি,
সেই ভ্রমরটাকে আবার জাদু-মন্ত্রের কৌশলে
একটা হীরের কৌটায় বন্দী রেখেছি।
কোন মানুষ তাকে ছুঁতে পারবে না-
সে প্রান অবিনশ্বর!
কেউ তার ঠিকানা জানবে না-
সে খবর শুধু জানো তুমি আর আমি।
.
ওই কবিতাটির মাঝে হবে অযুত নিযুত শব্দ,
অযুত নিযুত ছন্দ
তার ভেতর থেকে মিষ্টি দুটি শব্দ বেছে নেব
আমরা তার ভেতরে লুকিয়ে পড়বো অনন্ত কালের জন্য
সে একটি শব্দ হব “আমি” আরেকটি শব্দ হবে “তুমি”।
.
তোমার আর আমার মাঝে আর একটি শব্দও থাকবে
তার নাম “ভালোবাসা।
“ভালবাসা”“ভালবাসা”“ভালবাসা।