ভিজছি রোজ, প্রতিনিয়ত জলে
আশকারা পাওয়া কণ্ঠের ফোনকলে।
বিঁধছি রোজ, অনুভূতিদের তীর,
ক্ষত-বিক্ষত, হয়েছি চৌচির।
বাসছি রোজ, বাকি যতোটা ভালো
করছি খুব ছটফট, এলোমেলো।
হচ্ছে রোজ দেখা, শুধু ঘুমে ঘুমে
পিষছে তোর আবৃতি খুব প্রেমে।
হাতটা শুধু চাইছে একটা হাত,
নামতে চাইছে ঝড় বা জলপ্রপাত।
পুষছি যেই শব্দগুলো মনে
"বলবো" রোগ বাধছে অকারণে।
এই প্রেমের শেষটা কবে শুরু?
হাত ধরা আর হেঁটে যাওয়া পথ সরু।
সেই তবে কবেকার কাছে পাওয়া
বেনামী সব চিঠিদের আসা যাওয়া।
প্রেম এসে রোজ বসছে বারান্দায়,
প্রলাপ বকেই আড্ডা খুব জমায়।
আমার গায়েও রোমান্টিক হাওয়া লাগে,
প্রেম মাখি রোজ স্নানেতে যাওয়ার আগে।
বলাই হয়নি তোকে, সব ভুলে গেছি-
একটা চুমু শরীরে তুলেছে ঝড়।
আবহাওয়া খুব দামী, তোর ছোঁয়াটাও
ভেঙেছে পৃথিবী চুরমার সব ঘর।
আদরের পাশে নাম রেখে দিস আমার,
কখনো যদি রাখতে ইচ্ছে করে।
মন থেকে দেহে পৌঁছায় অনুভূতি,
মিষ্টিজাতীয় হাসিদের তোলপাড়ে।
কেশবতী কি নাম দিয়েছি সাধে?
চোখেমুখ সব আটকে রেখেছে চুল,
চোখ বুজেও খুঁজে পেয়েছি তোকে
তোর গন্ধ শাব্দিক নির্ভুল।
তোর পছন্দে কবি হয়ে যদি ওঠা,
তবে এই মোর প্রথম নিবেদন।
প্রিয় আঁড়ি এটা আদরের তোকে লেখা-
আগলে রাখার করিস আয়োজন।