আমি শৈশব থেকে দেখে এসেছি, সমাজের বৈরিতা বৈষম্য
বিদ্বেষ অনৈতিক কার্যকলাপ। মানুষের মধ্যে দেখেছি মানুষের জন্য যতটুকু
সম্মান, তার থেকে অধিক মানুষের জন্য ক্ষতি করার “হীন” চিন্তা ভাবনা। আমি তো
এমনো দেখেছি, “সন্তানের হাতে মাতা-পিতা খুন, ভাইয়ের দৃষ্টি আপন বোনকে
করেছে গুম”। এর থেকেও নেক্কারজনক ঘটনা হচ্ছে, যে ধর্মবিদ্যালয়ে (মাদ্রাসা)
আমরা ধর্মের জ্ঞান লাভ করি, সে বিদ্যালয়ে পর্যন্ত ধর্ষিত হয়েছে-হচ্ছে
কোমলমতী মেয়েরা। যে শিক্ষকগণের জন্য সম্মান ছিল আকাশের ন্যায় অসীম আজ সেই
শিক্ষকগণকে রাস্তা-ঘাটে ধরে ধরে মারছে ছাত্ররা। এ দৃশ্য শুধু আমি নয় আপনারাও দেখেছেন।
আমি অতিসাধারণ একজন ছেলে (মানুষ) আমি আপনাদের কারো ভুল ধরতে বসিনি, না আপনাদের নিচু দেখাতে বসেছি। আমি শুধু একটি কথা স্মরণ করিয়ে দিতে এসেছি আপনাদের। আমরা মানুষ, এই সুন্দর সৃষ্টির সেরা সৃষ্টি, শ্রেষ্ট জীব। আর পাঁচটা সৃষ্টির মতো নই আমরা, নই কোনো আত্মাহীন পশু। আমাদের এই তাজ্জব দেহে অদৃশ্য এক রূহু রয়েছে, যে রূহুটাই আসলে আমি বা আমরা। আর আমাদের এই দেহ হচ্ছে, আমি রূহুর পোশাক বা বাহন। “আমাদের এই পৃথিবীতে আমাদেরকে পাঠানোর যে উদ্দেশ্য” “সে উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ করতে আমরা শুধু এই মাটির তৈরি দেহের সাহায্য নিয়েছি”। এই দেহের সেবক হিসাবে আমাদের সৃষ্টি করা হয়নি, আমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে সৃষ্টির সেবক হিসেবে। আমাদের এই পৃথিবীতে কিছু নির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে, যা আমাদের সম্পূর্ণ করে যেতে হবে।
সেই দায়িত্বটা কি? তা আমরা আজ ভুলে গেছি, ভুলে গেছি মানুষের ধর্ম মানবতা, ভুলে গেছি মানুষের জন্যই ধর্ম-ধর্মের জন্য মানুষকে সৃষ্টি করা হয়নি। আজ আমাদের এই বিষয়গুলো অজানায় থাকার কারণে; আমরা, নিরলসভাবে জীবনযাপন করছি, যে যার মতো করে। আর সমাজে দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে অন্যায় অত্যাচার অবিচার সহিংসতা।
“আমি অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদ ৭ বছর ধরে, করে আসছি"। “এবং হেযবুত তওহীদে যে আল্লাহ প্রদত্ত শিক্ষা, তা নিঃস্বার্থভাবে মানুষকে জানিয়ে যাচ্ছি গত ৭ বছর ধরে”। আমি যখন শুধু সমাজের একজন মানুষ ছিলাম, তখন আমার শুধু চিন্তা-ভাবনা ছিল, নিজেকে ভালো রাখা। কিন্তু এক সময় এসে আমি বুঝতে সক্ষম হলাম যে। যে সময়- সমাজে অন্যায়ের দাবানল জ্বলে, তখন সে সমাজের কোনো ব্যক্তি এককভাবে শান্তিতে থাকতে পারে না ( আমিও পারিনি)। এটা হয়তো অনেকে বলতে পারবেন যে, আপনারা ভালো খাচ্ছেন, ভালো পড়ছেন। কিন্তু ভালো খাওয়া বা ভালো জামা পরিধানকে শান্তি বলে না।
শান্তি এমন এক পরিবেশের নাম, যেখানে কোনো অন্যায় নেই, যেখানে কোনো অবিচার নেই, যেখানে কোনো নারীর ইজ্জত হারানোর ভয় নেই। যেখানে মানুষ নিরাপদে পথ চলতে পারে, যেখানে কেউ অনৈতিক কাজ করলে তা সবাই নির্ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারে, সেই পরিবেশটির নামই ন্যায়পূর্ণ সমাজ শান্তিপূর্ণ সমাজ।
ঘাস যেভাবে শিশিরবিন্দু ছাড়া মৃত্যুশয্যায় ঝুঁকে পরে, ঠিক তেমনভাবে মানুষ, মানুষের সম্প্রীতি একতা ন্যায়পরায়ণতা শূন্যতায় “মৃত হয়ে যায়”। আজ সমাজের চতুর্দিকে একমুঠো শান্তির হাহাকার আর আকাশে বাতাসে বণিতার আর্তনাদ।
এমন অবস্থায় মুক্তির একটাই পথ, আসুন আমরা আল্লাহর সেই পবিত্র বিধান আমাদের জীবনে, জীবনব্যবস্থা হিসেবে মেনে নেই, এবং সকল প্রকার অনৈক্য মতভেদ ছুঁড়ে ফেলে ঐক্যবদ্ধ হই। সকল ধর্মের সকল বর্ণের অনুসারীরা আমরা একটা সিদ্ধান্তের উপর দাঁড়াই যে, আমরা সবাই এক স্রষ্টার সৃষ্টি এক পিতা-মাতা-আদম-হাওয়ার সন্তান, আমরা সবাই এক পরিবার। তাই কেউ আর কারো প্রতি অন্যায় করব না কারো প্রতি জুলুম করব না, সবাই সম্মিলিতভাবে মিলেমিশে বসবাস করব।
আমি অতিসাধারণ একজন ছেলে (মানুষ) আমি আপনাদের কারো ভুল ধরতে বসিনি, না আপনাদের নিচু দেখাতে বসেছি। আমি শুধু একটি কথা স্মরণ করিয়ে দিতে এসেছি আপনাদের। আমরা মানুষ, এই সুন্দর সৃষ্টির সেরা সৃষ্টি, শ্রেষ্ট জীব। আর পাঁচটা সৃষ্টির মতো নই আমরা, নই কোনো আত্মাহীন পশু। আমাদের এই তাজ্জব দেহে অদৃশ্য এক রূহু রয়েছে, যে রূহুটাই আসলে আমি বা আমরা। আর আমাদের এই দেহ হচ্ছে, আমি রূহুর পোশাক বা বাহন। “আমাদের এই পৃথিবীতে আমাদেরকে পাঠানোর যে উদ্দেশ্য” “সে উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ করতে আমরা শুধু এই মাটির তৈরি দেহের সাহায্য নিয়েছি”। এই দেহের সেবক হিসাবে আমাদের সৃষ্টি করা হয়নি, আমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে সৃষ্টির সেবক হিসেবে। আমাদের এই পৃথিবীতে কিছু নির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে, যা আমাদের সম্পূর্ণ করে যেতে হবে।
সেই দায়িত্বটা কি? তা আমরা আজ ভুলে গেছি, ভুলে গেছি মানুষের ধর্ম মানবতা, ভুলে গেছি মানুষের জন্যই ধর্ম-ধর্মের জন্য মানুষকে সৃষ্টি করা হয়নি। আজ আমাদের এই বিষয়গুলো অজানায় থাকার কারণে; আমরা, নিরলসভাবে জীবনযাপন করছি, যে যার মতো করে। আর সমাজে দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে অন্যায় অত্যাচার অবিচার সহিংসতা।
“আমি অরাজনৈতিক আন্দোলন হেযবুত তওহীদ ৭ বছর ধরে, করে আসছি"। “এবং হেযবুত তওহীদে যে আল্লাহ প্রদত্ত শিক্ষা, তা নিঃস্বার্থভাবে মানুষকে জানিয়ে যাচ্ছি গত ৭ বছর ধরে”। আমি যখন শুধু সমাজের একজন মানুষ ছিলাম, তখন আমার শুধু চিন্তা-ভাবনা ছিল, নিজেকে ভালো রাখা। কিন্তু এক সময় এসে আমি বুঝতে সক্ষম হলাম যে। যে সময়- সমাজে অন্যায়ের দাবানল জ্বলে, তখন সে সমাজের কোনো ব্যক্তি এককভাবে শান্তিতে থাকতে পারে না ( আমিও পারিনি)। এটা হয়তো অনেকে বলতে পারবেন যে, আপনারা ভালো খাচ্ছেন, ভালো পড়ছেন। কিন্তু ভালো খাওয়া বা ভালো জামা পরিধানকে শান্তি বলে না।
শান্তি এমন এক পরিবেশের নাম, যেখানে কোনো অন্যায় নেই, যেখানে কোনো অবিচার নেই, যেখানে কোনো নারীর ইজ্জত হারানোর ভয় নেই। যেখানে মানুষ নিরাপদে পথ চলতে পারে, যেখানে কেউ অনৈতিক কাজ করলে তা সবাই নির্ভয়ে প্রতিবাদ করতে পারে, সেই পরিবেশটির নামই ন্যায়পূর্ণ সমাজ শান্তিপূর্ণ সমাজ।
ঘাস যেভাবে শিশিরবিন্দু ছাড়া মৃত্যুশয্যায় ঝুঁকে পরে, ঠিক তেমনভাবে মানুষ, মানুষের সম্প্রীতি একতা ন্যায়পরায়ণতা শূন্যতায় “মৃত হয়ে যায়”। আজ সমাজের চতুর্দিকে একমুঠো শান্তির হাহাকার আর আকাশে বাতাসে বণিতার আর্তনাদ।
এমন অবস্থায় মুক্তির একটাই পথ, আসুন আমরা আল্লাহর সেই পবিত্র বিধান আমাদের জীবনে, জীবনব্যবস্থা হিসেবে মেনে নেই, এবং সকল প্রকার অনৈক্য মতভেদ ছুঁড়ে ফেলে ঐক্যবদ্ধ হই। সকল ধর্মের সকল বর্ণের অনুসারীরা আমরা একটা সিদ্ধান্তের উপর দাঁড়াই যে, আমরা সবাই এক স্রষ্টার সৃষ্টি এক পিতা-মাতা-আদম-হাওয়ার সন্তান, আমরা সবাই এক পরিবার। তাই কেউ আর কারো প্রতি অন্যায় করব না কারো প্রতি জুলুম করব না, সবাই সম্মিলিতভাবে মিলেমিশে বসবাস করব।

No comments:
Post a Comment